Dhaka Sentinel-Bangla

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় ইউএস ট্রেড শো শুরু

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় ইউএস ট্রেড শো শুরু

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরির লক্ষ্যে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) এবং ঢাকার মার্কিন দূতাবাস যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। এতে মার্কিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য, সেবা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ ছাড়া অ্যামচেম বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ইউএস ট্রেড শোর মতো আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ এমন একটি প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা ব্যবসার নতুন সুযোগ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে শিল্প খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনে মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। ইউএস ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনার প্রতিফলন। মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিশ্বমানের পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। আমরা বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী।’

অ্যামচেম বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘তিন দশক ধরে ইউএস ট্রেড শো মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারের সংযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এবারের ৩০তম আয়োজন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আমাদের ধারাবাহিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘এ আয়োজনের মাধ্যমে অ্যামচেম অর্থবহ যোগাযোগের সুযোগ তৈরি, নতুন অংশীদারত্বকে উৎসাহ প্রদান এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী ও টেকসই অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে চায়।’

এবারের প্রদর্শনীতে বিভিন্ন খাতের মার্কিন পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি স্থান পেয়েছে। দর্শনার্থী ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা এসব পণ্য ও উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় এবং নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরির সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি অর্থনীতি ও ব্যবসাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, নারী নেতৃত্ব, বিদেশে বিনিয়োগ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ডিজিটাল অর্থনীতি। এসব অধিবেশনে নীতিনির্ধারক, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ী নেতারা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরির বিষয়ে আলোচনা করবেন।

আয়োজকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইউএস ট্রেড শো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার, মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তুলে ধরা এবং দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

উল্লেখ্য, ৩০তম ইউএস ট্রেড শো আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বিষয় : ইউএস ট্রেড শো অ্যামচেম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় ইউএস ট্রেড শো শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরির লক্ষ্যে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) এবং ঢাকার মার্কিন দূতাবাস যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। এতে মার্কিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য, সেবা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ ছাড়া অ্যামচেম বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ইউএস ট্রেড শোর মতো আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ এমন একটি প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা ব্যবসার নতুন সুযোগ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে শিল্প খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনে মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। ইউএস ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনার প্রতিফলন। মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিশ্বমানের পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। আমরা বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী।’ অ্যামচেম বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘তিন দশক ধরে ইউএস ট্রেড শো মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারের সংযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এবারের ৩০তম আয়োজন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আমাদের ধারাবাহিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’  তিনি আরও বলেন, ‘এ আয়োজনের মাধ্যমে অ্যামচেম অর্থবহ যোগাযোগের সুযোগ তৈরি, নতুন অংশীদারত্বকে উৎসাহ প্রদান এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও শক্তিশালী ও টেকসই অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে চায়।’ এবারের প্রদর্শনীতে বিভিন্ন খাতের মার্কিন পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি স্থান পেয়েছে। দর্শনার্থী ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা এসব পণ্য ও উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় এবং নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরির সুযোগ পাচ্ছেন। প্রদর্শনীর পাশাপাশি অর্থনীতি ও ব্যবসাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, নারী নেতৃত্ব, বিদেশে বিনিয়োগ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ডিজিটাল অর্থনীতি। এসব অধিবেশনে নীতিনির্ধারক, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ী নেতারা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরির বিষয়ে আলোচনা করবেন। আয়োজকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইউএস ট্রেড শো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার, মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তুলে ধরা এবং দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। উল্লেখ্য, ৩০তম ইউএস ট্রেড শো আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত