Dhaka Sentinel-Bangla

Opinion

ইস্তিগফার কী? ইস্তিগফারের ফজিলত, পড়ার নিয়ম ও সময়

ইস্তিগফার মানে আল্লাহর কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করে কায়মনোবাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা করা। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় ছোট-বড় নানা ভুল ও পাপে জড়িয়ে পড়ে মানুষ। এই ভুলত্রুটি থেকে ক্ষমা পাওয়ার একমাত্র মাধ্যম হলো আল্লাহর দরবারে ইস্তিগফার করা। এটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ স্বতন্ত্র ইবাদত। কোরআন মাজিদে বিভিন্ন নবীর ইস্তিগফারের সুন্দর সুন্দর ঘটনা ও দোয়া বর্ণিত হয়েছে। সব নবীই আল্লাহর দরবারে নিয়মিত ইস্তিগফার করতেন। যেমন—হজরত সুলায়মান (আ.) দোয়া করেছিলেন— রাসুলুল্লাহ (সা.) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন নিয়মিত ৭০ থেকে ১০০ বার তাওবা ও ইস্তিগফার করতেন। এমনকি প্রতিটি ফরজ নামাজ শেষ করে তিনি তিনবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পাঠ করতেন। (মিশকাতুল মাসাবিহ: ৯৬১) কোনো গুনাহ বা ভুল করে ফেললে আমরা সাধারণত أَسْتَغْفِرُالله বা ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পাঠ করি। এটি ইস্তিগফারেরই একটি সুন্দর রূপ, যার অর্থ হলো—‘আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি’। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইস্তিগফারের নির্দেশ দিয়ে ইরশাদ করেছেন, ‘আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা বাকারা: ১৯৯) ইস্তিগফারের রয়েছে অফুরন্ত বরকত। এটি আখিরাতে মুক্তি নিশ্চিত করে এবং দুনিয়াবি জীবনে নানা কল্যাণ বয়ে আনে। হাদিস ও কোরআনের আলোকে ইস্তিগফারের প্রধান ১৫টি ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো: ইস্তিগফার করার কিছু নির্দিষ্ট ধাপ বা নিয়ম রয়েছে: বান্দার হক আদায় করা: কৃত অপরাধের সঙ্গে যদি অন্য কোনো মানুষের হক বা অধিকার জড়িত থাকে, তবে তা ফিরিয়ে দেওয়া বা তাদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। যেকোনো সময়, যেকোনো মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করা যায়। তবে কিছু বিশেষ সময় ও পরিস্থিতিতে ইস্তিগফার করা অধিক ফলপ্রসূ: আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বেশি বেশি ইস্তিগফার করার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা লাভ করার তাওফিক দান করুন।

ইস্তিগফার কী? ইস্তিগফারের ফজিলত, পড়ার নিয়ম ও সময়