Dhaka Sentinel-Bangla

হরমুজের কাছে হামলার শিকার জাহাজে আগুন, ২৫ নাবিককে উদ্ধার করল ওমান

হরমুজের কাছে হামলার শিকার জাহাজে আগুন, ২৫ নাবিককে উদ্ধার করল ওমান
হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার একটি জাহাজ থেকে ধোঁয়া উঠছেফাইল ছবি: এএফপি

ওমানের মুসান্দাম উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে হামলার শিকার হয়ে আগুন ধরে যাওয়া একটি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেছে দেশটির নৌবাহিনী। গতকাল শুক্রবার ওমানের মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে।

পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি মুসান্দাম উপকূল থেকে ১ দশমিক ৬ নটিক্যাল মাইল দূরে হামলার শিকার হয়। এ ঘটনায় জাহাজে আগুন ধরে যায়।

মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার জানায়, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ওমানের নৌবাহিনী নাবিকদের উদ্ধার করে। পরে তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

এদিকে একই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। জাহাজগুলো অনুমোদনহীন পথে চলছিল বলে দাবি তেহরানের।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজগুলো নিজেদের শনাক্তকরণ ও অবস্থান নির্ণয়ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় অনুমোদনহীন পথে প্রণালি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। কয়েকবার বেতারবার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করার পরও জাহাজগুলো তা উপেক্ষা করে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট পথ ঠিক করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ওই পথে চলাচল করতে হবে বলেও জানিয়েছে তেহরান। ওমান উপকূলের কাছের দক্ষিণের একটি জলপথকে অনুমোদনহীন বলে বিবেচনা করছে ইরান।

এদিকে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকেএমটিও গতকাল জানায়, ইরানের লাভান দ্বীপের দক্ষিণে ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে আরেকটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন ধরে যায়। জাহাজটির নাবিকেরা নিরাপদ আছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে ইরান। এর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এদিকে ইরানের পদক্ষেপের জবাবে দেশটির বন্দরগুলোয় পাল্টা অবরোধ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনায় ইরানের তেল রপ্তানি ও বাণিজ্য আরও সীমিত হয়েছে।

বিষয় : ইরান জাহাজ হামলা নৌবাহিনী উদ্ধার ওমান

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


হরমুজের কাছে হামলার শিকার জাহাজে আগুন, ২৫ নাবিককে উদ্ধার করল ওমান

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
ওমানের মুসান্দাম উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে হামলার শিকার হয়ে আগুন ধরে যাওয়া একটি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেছে দেশটির নৌবাহিনী। গতকাল শুক্রবার ওমানের মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে। পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি মুসান্দাম উপকূল থেকে ১ দশমিক ৬ নটিক্যাল মাইল দূরে হামলার শিকার হয়। এ ঘটনায় জাহাজে আগুন ধরে যায়। মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার জানায়, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ওমানের নৌবাহিনী নাবিকদের উদ্ধার করে। পরে তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এদিকে একই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। জাহাজগুলো অনুমোদনহীন পথে চলছিল বলে দাবি তেহরানের। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজগুলো নিজেদের শনাক্তকরণ ও অবস্থান নির্ণয়ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় অনুমোদনহীন পথে প্রণালি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। কয়েকবার বেতারবার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করার পরও জাহাজগুলো তা উপেক্ষা করে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট পথ ঠিক করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ওই পথে চলাচল করতে হবে বলেও জানিয়েছে তেহরান। ওমান উপকূলের কাছের দক্ষিণের একটি জলপথকে অনুমোদনহীন বলে বিবেচনা করছে ইরান। এদিকে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকেএমটিও গতকাল জানায়, ইরানের লাভান দ্বীপের দক্ষিণে ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে আরেকটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন ধরে যায়। জাহাজটির নাবিকেরা নিরাপদ আছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে ইরান। এর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এদিকে ইরানের পদক্ষেপের জবাবে দেশটির বন্দরগুলোয় পাল্টা অবরোধ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনায় ইরানের তেল রপ্তানি ও বাণিজ্য আরও সীমিত হয়েছে।

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত