Dhaka Sentinel-Bangla

হোয়াইট হাউসের নতুন প্রধান স্টিফেন মিলার

হোয়াইট হাউসের নতুন প্রধান স্টিফেন মিলার
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই হোয়াইট হাউসের প্রশাসনে রদবদল এনেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে এ পদে নিজের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও অভিবাসন নীতির অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি নিউজ এর তথ্যসূত্রে, ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। আগামী বছর কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী অবস্থানের মুখে প্রশাসনের নীতিগত অবস্থান আরও কঠোর করার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে এ সিদ্ধান্তকে।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের দীর্ঘদিনের সদস্য ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন মিলার। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তৃতা লেখক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। সর্বশেষ তিনি হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রশাসনের বিভিন্ন নীতিগত বিষয় দেখভালের পাশাপাশি কঠোর অভিবাসন নীতির অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সমঝোতার পথে না হেঁটে বরং কঠোর অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া ডেমোক্র্যাটদের মোকাবিলায় মিলারের নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে মিলারের গভীর ধারণা রয়েছে। ফলে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির শেষ দুই বছরে নির্বাহী আদেশ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুসি ওয়াইলস। এ বিষয়ে অবগত একটি সূত্র বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে। তবে ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াইলস তাঁর রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবেন।

নির্বাচনে পরাজয়ের কারণে ওয়াইলসকে সরানো হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প তা নাকচ করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের কারণে নয়। এখন পরিবর্তনের সময় হয়েছে। জীবনে কখনো কখনো পরিবর্তন আনতে হয়। নির্বাচনে আমি প্রার্থী ছিলাম না।

ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সুসি ওয়াইলস হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে এ দায়িত্ব পান তিনি। তার প্রথম মেয়াদে চারজন চিফ অব স্টাফ পরিবর্তন হলেও ওয়াইলস ছিলেন সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তি।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় শৃঙ্খলা ও সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ৬৯ বছর বয়সী ওয়াইলস। তাঁর নেতৃত্বে ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণা আগের প্রচারণাগুলোর তুলনায় বেশি সংগঠিত ছিল বলে মনে করা হয়।

ওয়াইলসের বিদায়ের সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। চলতি বছরের মার্চে তিনি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানান। কয়েক মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, পরীক্ষায় তার শরীরে আর ক্যানসারের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় মিলারের নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন। পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়া ও আলাস্কার নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন কারচুপির অভিযোগও প্রচার করেন।

মিলার প্রশাসনের জালিয়াতিবিরোধী টাস্কফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। সরকারি সুবিধা কর্মসূচিতে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে গ্রিন কার্ড কর্মসূচি থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্তেও তাঁর ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

তবে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। এপির মধ্যবর্তী নির্বাচন-পরবর্তী ভোটার জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার মনে করেন, প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযান মাত্রা ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) কার্যক্রমের প্রতিও অসন্তোষ জানিয়েছেন তাঁরা।

নিয়োগের সমালোচনা করে প্রতিনিধি পরিষদের প্রভাবশালী ওভারসাইট কমিটির পরবর্তী চেয়ারম্যান রবার্ট গার্সিয়া বলেন, মার্কিন জনগণ ট্রাম্পের দুর্নীতিগ্রস্ত ও আইনবহির্ভূত প্রেসিডেন্সির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মিলারই অসাংবিধানিক আইসিই অভিযানের অন্যতম পরিকল্পনাকারী।

এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভ্যানিটি ফেয়ারে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সুসি ওয়াইলস ট্রাম্পের ব্যক্তিত্ব নিয়ে মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন। তিনি বলেছিলেন, ট্রাম্পের মধ্যে মদ্যপ ব্যক্তির মতো ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যদিও তিনি নিজে মদ পান করেন না। একই সাক্ষাৎকারে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন ওয়াইলস।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


হোয়াইট হাউসের নতুন প্রধান স্টিফেন মিলার

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই হোয়াইট হাউসের প্রশাসনে রদবদল এনেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে এ পদে নিজের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও অভিবাসন নীতির অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি নিউজ এর তথ্যসূত্রে, ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। আগামী বছর কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী অবস্থানের মুখে প্রশাসনের নীতিগত অবস্থান আরও কঠোর করার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে এ সিদ্ধান্তকে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের দীর্ঘদিনের সদস্য ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন মিলার। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তৃতা লেখক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। সর্বশেষ তিনি হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রশাসনের বিভিন্ন নীতিগত বিষয় দেখভালের পাশাপাশি কঠোর অভিবাসন নীতির অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সমঝোতার পথে না হেঁটে বরং কঠোর অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া ডেমোক্র্যাটদের মোকাবিলায় মিলারের নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে মিলারের গভীর ধারণা রয়েছে। ফলে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির শেষ দুই বছরে নির্বাহী আদেশ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুসি ওয়াইলস। এ বিষয়ে অবগত একটি সূত্র বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে। তবে ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াইলস তাঁর রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনে পরাজয়ের কারণে ওয়াইলসকে সরানো হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প তা নাকচ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের কারণে নয়। এখন পরিবর্তনের সময় হয়েছে। জীবনে কখনো কখনো পরিবর্তন আনতে হয়। নির্বাচনে আমি প্রার্থী ছিলাম না। ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সুসি ওয়াইলস হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে এ দায়িত্ব পান তিনি। তার প্রথম মেয়াদে চারজন চিফ অব স্টাফ পরিবর্তন হলেও ওয়াইলস ছিলেন সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তি। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় শৃঙ্খলা ও সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ৬৯ বছর বয়সী ওয়াইলস। তাঁর নেতৃত্বে ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণা আগের প্রচারণাগুলোর তুলনায় বেশি সংগঠিত ছিল বলে মনে করা হয়। ওয়াইলসের বিদায়ের সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। চলতি বছরের মার্চে তিনি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানান। কয়েক মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, পরীক্ষায় তার শরীরে আর ক্যানসারের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় মিলারের নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন। পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়া ও আলাস্কার নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন কারচুপির অভিযোগও প্রচার করেন। মিলার প্রশাসনের জালিয়াতিবিরোধী টাস্কফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। সরকারি সুবিধা কর্মসূচিতে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে গ্রিন কার্ড কর্মসূচি থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্তেও তাঁর ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। এপির মধ্যবর্তী নির্বাচন-পরবর্তী ভোটার জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার মনে করেন, প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযান মাত্রা ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) কার্যক্রমের প্রতিও অসন্তোষ জানিয়েছেন তাঁরা। নিয়োগের সমালোচনা করে প্রতিনিধি পরিষদের প্রভাবশালী ওভারসাইট কমিটির পরবর্তী চেয়ারম্যান রবার্ট গার্সিয়া বলেন, মার্কিন জনগণ ট্রাম্পের দুর্নীতিগ্রস্ত ও আইনবহির্ভূত প্রেসিডেন্সির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মিলারই অসাংবিধানিক আইসিই অভিযানের অন্যতম পরিকল্পনাকারী। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভ্যানিটি ফেয়ারে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সুসি ওয়াইলস ট্রাম্পের ব্যক্তিত্ব নিয়ে মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন। তিনি বলেছিলেন, ট্রাম্পের মধ্যে মদ্যপ ব্যক্তির মতো ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যদিও তিনি নিজে মদ পান করেন না। একই সাক্ষাৎকারে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন ওয়াইলস।

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত