Dhaka Sentinel-Bangla

১০ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া সিমে তিন দিনে ২ কোটি লেনদেন, যুবক গ্রেফতার

১০ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া সিমে তিন দিনে ২ কোটি লেনদেন, যুবক গ্রেফতার
সিআইডি হেফাজতে লিটন হাওলাদার

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. লিটন হাওলাদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সংস্থাটি জানায়, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম তিন দিনের জন্য ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছিলেন তিনি। ওই সিমের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মাত্র তিন দিনে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। লিটন হাওলাদার খুলনার খালিশপুর থানার বড় বয়রা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনার বৈকালী এলাকার লিটন টি-স্টলের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪ জন দোকানদারের নাম প্রকাশ করেন এ মামলায় আগে গ্রেফতার হওয়া শেখ সাখির আহম্মেদ (৩৩)। গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে সোপর্দ করার পর তিনি এসব নাম জানান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লিটন হাওলাদারকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে তলব করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে লিটন জানান, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম খুলনার বয়রা এলাকার হানিফ নামের এক অটোচালকের কাছে ১০ হাজার টাকায় তিন দিনের জন্য ভাড়া দিয়েছিলেন। সিমটির বিকাশ অ্যাকাউন্টের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সাইটে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেন হয়েছে।

সিআইডির পুলিশ সুপার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে লিটন নিজের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিম টাকার বিনিময়ে অনলাইন জুয়ার কাজে ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম জব্দ করা হয়।

সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, পল্টন মডেল থানায় গত ৩১ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। জুয়া প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় করা এ মামলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত চলছে।

বিষয় : গ্রেফতার সিআইডি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


১০ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া সিমে তিন দিনে ২ কোটি লেনদেন, যুবক গ্রেফতার

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. লিটন হাওলাদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটি জানায়, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম তিন দিনের জন্য ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছিলেন তিনি। ওই সিমের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মাত্র তিন দিনে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। বুধবার (৪ নভেম্বর) সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। লিটন হাওলাদার খুলনার খালিশপুর থানার বড় বয়রা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনার বৈকালী এলাকার লিটন টি-স্টলের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪ জন দোকানদারের নাম প্রকাশ করেন এ মামলায় আগে গ্রেফতার হওয়া শেখ সাখির আহম্মেদ (৩৩)। গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে সোপর্দ করার পর তিনি এসব নাম জানান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লিটন হাওলাদারকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে তলব করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে লিটন জানান, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম খুলনার বয়রা এলাকার হানিফ নামের এক অটোচালকের কাছে ১০ হাজার টাকায় তিন দিনের জন্য ভাড়া দিয়েছিলেন। সিমটির বিকাশ অ্যাকাউন্টের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সাইটে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেন হয়েছে। সিআইডির পুলিশ সুপার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে লিটন নিজের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিম টাকার বিনিময়ে অনলাইন জুয়ার কাজে ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম জব্দ করা হয়। সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, পল্টন মডেল থানায় গত ৩১ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। জুয়া প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় করা এ মামলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত চলছে।

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত