Dhaka Sentinel-Bangla

দলছুট হয়ে তীরে, প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির

দলছুট হয়ে তীরে, প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির

নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের একটি প্রত্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে দলছুট হয়ে তীরে আটকে পড়া ৪৩টি তিমির (পাইলট হোয়েল) সব কয়টিই মারা গেছে। দেশটির সংরক্ষণ বিভাগ (ডিওসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে কেপ প্যালিসারের কাছে তিমিগুলোকে উপকূলে আটকে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সংরক্ষণ বিভাগ, দাতব্য সংস্থা ‘প্রজেক্ট জোনাহ’ ও স্থানীয় মাওরি উপজাতির উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সে সময় অন্তত ২০টি তিমি উপকূলে দেখা যায়, যার মধ্যে চারটি তখনো জীবিত ছিল বলে জানিয়েছিল পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা প্রজেক্ট জোনাহ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ডিওসি জানায়, এনগাউই থেকে মাঙ্গাতোয়েতো উপকূলে মোট ৪৩টি তিমি পাওয়া গেছে এবং দুর্ভাগ্যবশত এগুলোর কোনোটিই বেঁচে নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবল ঢেউ এবং চারপাশের ধারালো পাথরের কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছিল। উদ্ধারকর্মী ও ‘প্রজেক্ট জোনাহ’-এর অক্লান্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দিনভর একে একে সব তিমিই মারা যায়।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রজেক্ট জোনাহ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যারা এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের জন্য পুরো অভিজ্ঞতাটি ছিল অত্যন্ত কঠিন, কষ্টদায়ক ও মর্মান্তিক।

স্থানীয় জেলে অ্যান্ড্রু সিম এই মর্মান্তিক ঘটনাটিকে ‘খুবই দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।

মাওরি সংস্কৃতির দৃষ্টিতে তিমিগুলোকে ‘তাওঙ্গা’ বা অত্যন্ত মূল্যবান ঐতিহ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় উপজাতির লোকজনের সঙ্গে যৌথভাবে মৃত তিমিগুলোকে যথাযথ মর্যাদায় সমাহিত করার কাজ পরিচালনা করছে সংরক্ষণ বিভাগ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মকালে খাদ্যের সন্ধানে উপকূলের কাছাকাছি আসার সময় প্রায়ই পাইলট তিমিগুলো এভাবে দলবদ্ধভাবে তীরে আটকা পড়ে। তবে ঠিক কী কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তার সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট

বিষয় : তিমি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


দলছুট হয়ে তীরে, প্রাণ গেল ৪৩ পাইলট তিমির

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের একটি প্রত্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে দলছুট হয়ে তীরে আটকে পড়া ৪৩টি তিমির (পাইলট হোয়েল) সব কয়টিই মারা গেছে। দেশটির সংরক্ষণ বিভাগ (ডিওসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে কেপ প্যালিসারের কাছে তিমিগুলোকে উপকূলে আটকে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সংরক্ষণ বিভাগ, দাতব্য সংস্থা ‘প্রজেক্ট জোনাহ’ ও স্থানীয় মাওরি উপজাতির উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সে সময় অন্তত ২০টি তিমি উপকূলে দেখা যায়, যার মধ্যে চারটি তখনো জীবিত ছিল বলে জানিয়েছিল পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা প্রজেক্ট জোনাহ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ডিওসি জানায়, এনগাউই থেকে মাঙ্গাতোয়েতো উপকূলে মোট ৪৩টি তিমি পাওয়া গেছে এবং দুর্ভাগ্যবশত এগুলোর কোনোটিই বেঁচে নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবল ঢেউ এবং চারপাশের ধারালো পাথরের কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছিল। উদ্ধারকর্মী ও ‘প্রজেক্ট জোনাহ’-এর অক্লান্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দিনভর একে একে সব তিমিই মারা যায়। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রজেক্ট জোনাহ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যারা এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের জন্য পুরো অভিজ্ঞতাটি ছিল অত্যন্ত কঠিন, কষ্টদায়ক ও মর্মান্তিক। স্থানীয় জেলে অ্যান্ড্রু সিম এই মর্মান্তিক ঘটনাটিকে ‘খুবই দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন। মাওরি সংস্কৃতির দৃষ্টিতে তিমিগুলোকে ‘তাওঙ্গা’ বা অত্যন্ত মূল্যবান ঐতিহ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় উপজাতির লোকজনের সঙ্গে যৌথভাবে মৃত তিমিগুলোকে যথাযথ মর্যাদায় সমাহিত করার কাজ পরিচালনা করছে সংরক্ষণ বিভাগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মকালে খাদ্যের সন্ধানে উপকূলের কাছাকাছি আসার সময় প্রায়ই পাইলট তিমিগুলো এভাবে দলবদ্ধভাবে তীরে আটকা পড়ে। তবে ঠিক কী কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তার সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তথ্যসূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত