Dhaka Sentinel-Bangla

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: ছাত্রী বর্ষাসহ তিন জনের বিচার শুরু

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: ছাত্রী বর্ষাসহ তিন জনের বিচার শুরু
জোবায়েদ হোসেন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ৯ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তিন আসামির অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন আদালত। 

আসামিরা হলেন- জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯), বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান (১৯) এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২১)। এই মামলায় গ্রেফতার তিন আসামি কারাগারে আটক রয়েছে। শুনানিকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভিকটিম মো. জোবায়েদ হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। প্রতিদিনের মতো গত বছরের ১৯ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বংশাল থানাধীন ৩১ নং ওয়ার্ডে নূর বক্স লেনের ১৫ নং হোল্ডিং রৌশান ভিলায় বর্ষাকে পড়ানোর জন্য যান। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে ওই ছাত্রী জোবায়েদ হোসেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে জানায়, জোবায়েদ স্যার খুন হয়ে গেছে, কে বা কারা জোবায়েদ স্যারকে খুন করে ফেলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. কামরুল হাসান ৭টার দিকে জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি জানান। 

এনায়েত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে সাড়ে আটটার দিকে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলায় পৌঁছান। ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে ওঠার সময় সিঁড়ি এবং দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। ওই ভবনের ৩য় তলার রুমের পূর্ব পাশের সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় দুই দিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে ২১ অক্টোবর বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের প্রায় ৯ মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ হোসেন। চার্জশিটে জোবায়েদের ছাত্রী ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার প্রেমিক মো. মাহির রহমান, মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী উঠে আসে।

বিষয় : আদালত বিচার হত্যাকাণ্ড

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: ছাত্রী বর্ষাসহ তিন জনের বিচার শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ৯ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তিন আসামির অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন আদালত।  আসামিরা হলেন- জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯), বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান (১৯) এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২১)। এই মামলায় গ্রেফতার তিন আসামি কারাগারে আটক রয়েছে। শুনানিকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।  মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভিকটিম মো. জোবায়েদ হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। প্রতিদিনের মতো গত বছরের ১৯ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বংশাল থানাধীন ৩১ নং ওয়ার্ডে নূর বক্স লেনের ১৫ নং হোল্ডিং রৌশান ভিলায় বর্ষাকে পড়ানোর জন্য যান। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে ওই ছাত্রী জোবায়েদ হোসেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে জানায়, জোবায়েদ স্যার খুন হয়ে গেছে, কে বা কারা জোবায়েদ স্যারকে খুন করে ফেলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. কামরুল হাসান ৭টার দিকে জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি জানান।  এনায়েত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে সাড়ে আটটার দিকে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলায় পৌঁছান। ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে ওঠার সময় সিঁড়ি এবং দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। ওই ভবনের ৩য় তলার রুমের পূর্ব পাশের সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় দুই দিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে ২১ অক্টোবর বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের প্রায় ৯ মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ হোসেন। চার্জশিটে জোবায়েদের ছাত্রী ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার প্রেমিক মো. মাহির রহমান, মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী উঠে আসে।

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত