Dhaka Sentinel-Bangla

সেই আলমাসকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ

সেই আলমাসকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ
মো. আলমাস

নামের মিলে অস্ত্র মামলায় কারাগারে থাকা নিরপরাধ মো. আলমাসকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন মো. হানিফ। 

২০০২ মালে মিরপুরে দায়ের হয় একটি অস্ত্র মামলা। দুই বছর পর ২০০৪ সালে পলাতক আসামি ঢাকার দোহারের মো. আলমাছকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। রায়ের ২১ বছর পর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের নভেম্বর পুলিশ মো.আলমাসকে গ্রেফতার করে। এ পর্যন্ত ঘটনা ঠিক ছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে তখন, যখন গ্রেফতার আলমাসের স্বজনরা দাবি করেন, এই আলমাস সেই আলমাছ নয়।

এ নিয়ে টানাটানির পর গত সেপ্টেম্বরে বিষয়টি গড়ায় উচ্চ আদালতে। এক রিটে ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে আলমাস (কারাগারে থাকা) এবং দণ্ডিত ব্যক্তির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। আদেশে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তার তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অনুসন্ধান পরিচালনা করতে বলা হয়।

এ আদেশ প্রতিপালন করে ১ নভেম্বর প্রতিবেদন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ অনুসন্ধান করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেফতার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে থাকা মো. আলমাস এবং মিরপুর থানার দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলমাছ দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি। অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রকৃত আসামি মো. আলমাছ কানাডায় অবস্থান করছেন। সেই মামলায় গ্রেফতার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে আছেন মো. আলমাস নামের আরেক ব্যক্তি। তবে তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন।

বিষয় : আদালত বিচার

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Dhaka Sentinel-Bangla

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


সেই আলমাসকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
নামের মিলে অস্ত্র মামলায় কারাগারে থাকা নিরপরাধ মো. আলমাসকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন মো. হানিফ।  ২০০২ মালে মিরপুরে দায়ের হয় একটি অস্ত্র মামলা। দুই বছর পর ২০০৪ সালে পলাতক আসামি ঢাকার দোহারের মো. আলমাছকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। রায়ের ২১ বছর পর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের নভেম্বর পুলিশ মো.আলমাসকে গ্রেফতার করে। এ পর্যন্ত ঘটনা ঠিক ছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে তখন, যখন গ্রেফতার আলমাসের স্বজনরা দাবি করেন, এই আলমাস সেই আলমাছ নয়। এ নিয়ে টানাটানির পর গত সেপ্টেম্বরে বিষয়টি গড়ায় উচ্চ আদালতে। এক রিটে ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে আলমাস (কারাগারে থাকা) এবং দণ্ডিত ব্যক্তির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। আদেশে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তার তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অনুসন্ধান পরিচালনা করতে বলা হয়। এ আদেশ প্রতিপালন করে ১ নভেম্বর প্রতিবেদন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ অনুসন্ধান করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেফতার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে থাকা মো. আলমাস এবং মিরপুর থানার দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলমাছ দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি। অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রকৃত আসামি মো. আলমাছ কানাডায় অবস্থান করছেন। সেই মামলায় গ্রেফতার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে আছেন মো. আলমাস নামের আরেক ব্যক্তি। তবে তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন।

Dhaka Sentinel-Bangla

​Founder & CEO: Rimon Hasan  CEO & Editor-in-Chief: Juwel Mia Managing Director: Tanjim Tohin

কপিরাইট © ২০২৬ Dhaka Sentinel-Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত